September 13, 2026, 2:48 am
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ চিশতিয়া জাকের মঞ্জিলের উদ্যোগে ৫০তম সুবর্ণ জয়ন্তী ও ইছালে সওয়াব মাহফিল গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ডোমারে মাদকসহ ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ রুপা বেগম আটক গৌরবের ২৫ বছরে হাতিয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদ রজতজয়ন্তী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজৈরে সোলার লাইট ও গ্রামের প্রবেশদ্বারে নান্দনিক তোরণ নির্মাণ গোপালগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার গোপালগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক শাহজাদপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ১৩তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ বিদ্যালয়ের ১৪ টি ফ্যান চুরি

তথ্য গোপন করে এমপিও সুবিধা: নীতিমালা জানেন না শিক্ষা অফিসার ও অধ্যক্ষ!

মীর শাহীন সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার, তজুমদ্দিন, ভোলা

তথ্য গোপন করে এমপিও সুবিধা: নীতিমালা জানেন না শিক্ষা অফিসার ও অধ্যক্ষ!
মীর শাহীন সবুজ | স্টাফ রিপোর্টার | তজুমদ্দিন, ভোলা
ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের দেবীপুর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষক পদে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে এমপিওভুক্তি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক আবু সাঈদ ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং ১০.০০.০০০.১৩১.১১.০০৪.৯৮-৩৭ অনুযায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে সেই তথ্য গোপন করে তিনি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এমপিওভুক্তি পান। তার এমপিও ইনডেক্স নম্বর এম ০০৬৮৮২৯।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০১৮ (সংশোধিত ২০২০)–এর ধারা ১১.১০–এ স্পষ্টভাবে বলা আছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একইসঙ্গে একাধিক চাকরিতে বা আর্থিকভাবে লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আবু সাঈদ এখনো নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রভাবের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পান আবু সাঈদ। তার বিরুদ্ধে নকল বালাম বই ব্যবহার, বাল্যবিয়ে সম্পাদন, টাকার বিনিময়ে সাব–কাজী নিয়োগসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়ায় তথ্য গোপন সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মো. রেজাউল করিম এবং মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেন, “এমপিও নীতিমালা ও তার তথ্য গোপনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।”
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার প্রভাবে কোটি টাকা আয়কারী এক নিকাহ রেজিস্ট্রার এখন আবার শিক্ষক পদে এমপিও সুবিধা ভোগ করছেন—এটা অন্যায্য ও নীতিবহির্ভূত।
তারা আরও জানান, “জুলাই–পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের অনিয়ম, তথ্য গোপন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও আবু সাঈদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও তদন্ত দাবি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা