July 29, 2026, 8:50 pm
শিরোনাম :
সিংড়ার চলনবিলে বজ্রপাতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হাতিয়ায় হিন্দু পল্লী চিকিৎসকের দোকানে হামলার অভিযোগ, আটক ৩ ​জলঢাকায় ফুয়েল কার্ড প্রাপ্তি আরও সহজ: শর্ত শিথিল করল উপজেলা প্রশাসন বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোক সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ ৩ জন নিহত, আহত ১ এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে হলের চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ল শিক্ষার্থীর মাথায় লামার সরইয়ে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তীব্র গরমে ১৮ শিক্ষার্থীর হিট স্টক কুমিল্লায় এআরও বুলেট বৈরাগী হত্যার প্রতিবাদে ডুমুরিয়ায় মানববন্ধন লোহাগাড়ার বড়হাতিয়ায় ৫০তম জবলে সিরাত মাহফিল সম্পন্ন, ঐতিহ্যের পেছনে বলিখেলার ইতিহাস নেছারাবাদে জন্মগতভাবে বিকলঙ্গ সন্তান ত্যাগে পিতার চাপ, মায়ের দৃঢ় অবস্থান

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ঘাটিনা রেলওয়ে সেতুর ওপর মর্মান্তিক দুর্ঘটনা-

মোঃ সিমান্ত তালুকদার রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ঘাটিনা রেলওয়ে সেতুর ওপর মর্মান্তিক দুর্ঘটনা-

মোঃ সিমান্ত তালুকদার
রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ।

ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আফেসানি। বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে একদিন বিসিএস ক্যাডার বানাবেন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে সেই স্বপ্ন শুরুতেই থেমে গেলো।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ঘাটিনা রেলওয়ে সেতুর ওপর মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে আফেসানি ও তার খালাতো ভাই ফয়সাল আহমেদ। আফেসানির বাড়ি বেলকুচি উপজেলার দেলুয়া গ্রামে। তার বাবা আখতার হোসেন স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যবসায়ী, বিখ্যাত শাড়ি-লুঙ্গির প্রতিষ্ঠান আমানতশাহ্ কোম্পানির ব্যবসায়িক অংশীদার।

উল্লাপাড়ার ঘাটিনা রেলওয়ে সেতুটি এখন অনেকের কাছে ঘুরতে যাওয়া ও ছবি তোলার একটি জায়গা হয়ে উঠেছে। অথচ এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বুধবার বিকেলেও একই স্থানে দুইজন তরুণ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে ফিরেছিল। কিন্তু আজ আর সেই ভাগ্য হলো না আফেসানি ও ফয়সালের।

এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটুক এই প্রত্যাশায় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, ঘাটিনা রেলওয়ে সেতুতে দর্শনার্থীদের ওঠা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হোক এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আল্লাহ তাদেরকে জান্নাত নসীব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা