May 28, 2026, 5:50 pm
শিরোনাম :
সিংড়ার চলনবিলে বজ্রপাতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হাতিয়ায় হিন্দু পল্লী চিকিৎসকের দোকানে হামলার অভিযোগ, আটক ৩ ​জলঢাকায় ফুয়েল কার্ড প্রাপ্তি আরও সহজ: শর্ত শিথিল করল উপজেলা প্রশাসন বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোক সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ ৩ জন নিহত, আহত ১ এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে হলের চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ল শিক্ষার্থীর মাথায় লামার সরইয়ে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তীব্র গরমে ১৮ শিক্ষার্থীর হিট স্টক কুমিল্লায় এআরও বুলেট বৈরাগী হত্যার প্রতিবাদে ডুমুরিয়ায় মানববন্ধন লোহাগাড়ার বড়হাতিয়ায় ৫০তম জবলে সিরাত মাহফিল সম্পন্ন, ঐতিহ্যের পেছনে বলিখেলার ইতিহাস নেছারাবাদে জন্মগতভাবে বিকলঙ্গ সন্তান ত্যাগে পিতার চাপ, মায়ের দৃঢ় অবস্থান

তথ্য গোপন করে এমপিও সুবিধা: নীতিমালা জানেন না শিক্ষা অফিসার ও অধ্যক্ষ!

মীর শাহীন সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার, তজুমদ্দিন, ভোলা

তথ্য গোপন করে এমপিও সুবিধা: নীতিমালা জানেন না শিক্ষা অফিসার ও অধ্যক্ষ!
মীর শাহীন সবুজ | স্টাফ রিপোর্টার | তজুমদ্দিন, ভোলা
ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের দেবীপুর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষক পদে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে এমপিওভুক্তি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক আবু সাঈদ ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং ১০.০০.০০০.১৩১.১১.০০৪.৯৮-৩৭ অনুযায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে সেই তথ্য গোপন করে তিনি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এমপিওভুক্তি পান। তার এমপিও ইনডেক্স নম্বর এম ০০৬৮৮২৯।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০১৮ (সংশোধিত ২০২০)–এর ধারা ১১.১০–এ স্পষ্টভাবে বলা আছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একইসঙ্গে একাধিক চাকরিতে বা আর্থিকভাবে লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আবু সাঈদ এখনো নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রভাবের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পান আবু সাঈদ। তার বিরুদ্ধে নকল বালাম বই ব্যবহার, বাল্যবিয়ে সম্পাদন, টাকার বিনিময়ে সাব–কাজী নিয়োগসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়ায় তথ্য গোপন সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মো. রেজাউল করিম এবং মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেন, “এমপিও নীতিমালা ও তার তথ্য গোপনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।”
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার প্রভাবে কোটি টাকা আয়কারী এক নিকাহ রেজিস্ট্রার এখন আবার শিক্ষক পদে এমপিও সুবিধা ভোগ করছেন—এটা অন্যায্য ও নীতিবহির্ভূত।
তারা আরও জানান, “জুলাই–পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের অনিয়ম, তথ্য গোপন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও আবু সাঈদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও তদন্ত দাবি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা