April 23, 2026, 11:03 am
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৭ জন শিক্ষার্থী সিরাজগঞ্জ সহ সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু সিরাজগঞ্জ মোট ১২ টি কেন্দ্র আছে পরিক্ষা হচ্ছে বরাদ্দ সংকটে গোপালগঞ্জে দিন-রাতজুড়ে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিশেষ অভিযানে অপহৃত ০৩ ভিকটিম উদ্ধার যৌতুকের বলি পলি খানম: ঘরছাড়া মা ও শিশু, ন্যায়বিচার চেয়ে আদালতে মামলা চট্টগ্রাম সিটি কলেজ হামলায় ভিডিও ছবিসহ বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারক লিপি খুলনায় নতুন পুলিশ সুপার মো. তাজুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান পিবিআইতে চট্টগ্রামে ছাত্রশিবিরের উপর সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবিতে স্বারক লিপি প্রদান জমকালো আয়োজনে “খোলা বার্তা” গণমাধ্যমের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হজের প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বান্দরবানের লামায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার পাহাড়: পাঠদান ফেলে শিক্ষার্থীদের দিয়ে আনাচ্ছেন রান্নার গ্যাস ও আসবাবপত্র

আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান

বান্দরবানের লামায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার পাহাড়: পাঠদান ফেলে শিক্ষার্থীদের দিয়ে আনাচ্ছেন রান্নার গ্যাস ও আসবাবপত্র,,,,

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামা উপজেলার কম্পোনিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: ওয়াজকুরুনীর বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
শ্রেণিকক্ষে সপরিবারে বসবাস এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার পর এবার শিক্ষার্থীদের দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

অভিভাবকদের দাবি, ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করছেন তিনি।

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে বাজার থেকে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার আনানো এবং নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের কক্ষে আসবাবপত্র টানানোর কাজ করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এতে একদিকে যেমন শিশুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকায় প্রধান শিক্ষক মো: ওয়াজকুরুনী অনেকটা ‘বেপরোয়া’ হয়ে উঠেছেন। তিনি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষকে নিজের শয়নকক্ষ বানিয়ে সপরিবারে বসবাস করছেন। এছাড়া গত দুই মাস ধরে তিনি কোনো ক্লাস না নিয়ে মাসের পর মাস নিজ জেলা সাতক্ষীরায় অবস্থান করছেন বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়েছি মানুষ করার জন্য, শিক্ষকের ব্যক্তিগত গোলামি করার জন্য নয়। ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের দিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার ও আসবাবপত্র টানানো একজন শিক্ষকের কাছ থেকে কখনো কাম্য নয়।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই বিতর্কিত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা