ডিমলায় সাড়ে ১২ টন চাউলের বরাদ্দে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ নিরসন: মেম্বারের উদ্যোগে রাস্তা পাকাকরণ সম্পন্ন
আব্দুল হালিম ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সদর ৯ নং ওয়ার্ডের ব্যাঙেরডাঙ্গা এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব হয়েছে।
ডিমলা-জলঢাকা প্রধান সড়ক থেকে ব্যাঙেরডাঙ্গা প্রবেশের একমাত্র জরাজীর্ণ কাঁচা রাস্তাটির ১০০ মিটারদৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৩ মিটার প্রস্থের অংশটি অবশেষে পাকাকরণ করা হয়েছে।আজ ১৯শে জানুয়ারি ২০২৬
৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) বাদল মিয়া স্বপন-এর বিশেষ উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত সাড়ে ১২ টন চাউলের মাধ্যমে এই উন্নয়নমূলক কাজটি বাস্তবায়িত হয়। স্থানীয় দক্ষ মিস্ত্রি রেজাউল করিম গত এক সপ্তাহ ধরে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে এবং মানসম্মতভাবে কাজ করে রাস্তাটির নির্মাণ সম্পন্ন করেন।
রাস্তাটি পাকা হওয়ায় আনন্দিত স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি মোঃ আজিকুল ইসলাম বলেন, “এই ১০০ ফুট রাস্তা আমাদের জন্য গলার কাঁটা ছিল। সাড়ে ৩ মিটার চওড়া করে পাকা করায় এখন অনায়াসেই ভ্যান ও জরুরি যানবাহন চলাচল করতে পারছে। আমরা স্বপন মেম্বারের কাজে খুব খুশি।”
ব্যাঙ্গের ডাঙ্গার গৃহিণী দাড়িয়ার বউ মোছাঃকাল্টি বেগম বলেন, “বর্ষার সময় এই পথ দিয়ে চলা ফেরা করা ছিল বিভীষিকা।
মিস্ত্রি রেজাউল করিম ভাই খুব যত্ন নিয়ে শক্তপোক্তভাবে কাজটা শেষ করেছেন। এখন আর কাদা মাড়িয়ে মেইন রোডে যেতে হবে না।”
ইউপি সদস্য বাদল মিয়া স্বপন বলেন, “সীমিত বরাদ্দের মধ্যেই আমি এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমানোর চেষ্টা করেছি। ১০০ মিটার এই সংযোগটি পাকা হওয়ায় পুরো গ্রামের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলো।
মানসম্মত কাজ নিশ্চিত করতে মিস্ত্রি রেজাউল করিম নিরলস পরিশ্রম করেছেন।