September 30, 2026, 11:19 pm
শিরোনাম :
সোনাদিয়া ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডে আরিফ কে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা কমিটির সাথে আইনশৃঙ্খলা মতবিনিময় জলঢাকায় পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার ​ দৌলতখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লোকমান আটক রংপুর সদরে ৩৫০টি চারা রোপণ, অংশ নিলেন আনসার-ভিডিপি সদস্য ও স্কাউটেরা সাংবাদিক নেত্রী ফাতেমা আক্তারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত” তীব্র নিন্দা! রংপুর সদরে আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে ৩৫০টি বৃক্ষরোপণ গোপালগঞ্জ ভ্রাম্যমান আদালতে দোকান মালিককে জরিমানা হাতিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বাড়াতে স্থাপন করা হয়েছে সিটিজেন সার্টার গোপালগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহ শতভাগ অর্জিত

লালমনিরহাটে কাদার ওপর মোবাইল টাওয়ারের ঢালাই, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটে কাদার ওপর মোবাইল টাওয়ারের ঢালাই, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:

 

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সেবক দাস গ্রামে পুকুরের ভেতর চরম ঝুঁকিপূর্ণভাবে একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে। ভৌগোলিক দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই টাওয়ারের পূর্ব ও পশ্চিম দুই দিকেই রয়েছে পুকুর, উত্তর দিকে রাস্তা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত এবং দক্ষিণ দিকে দোলা (ফসলি মাঠ)। স্থানীয়দের দাবি, এটি গ্রামীণফোনের টাওয়ার হবে বলে প্রথমে জানানো হলেও কোনো নিয়ম না মেনে পুকুরের নরম কাদার মধ্যে মাত্র ৬ ফিট বা তারও কম গভীরতায় এই বিপজ্জনক কাজ চালানো হচ্ছে।

সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, সাইটে কাজ তদারকি করতে আসা ব্যক্তিরা স্থানীয়দের কাছে তাদের নাম বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। পরিচয় লুকানোর এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। কর্মরত শ্রমিক ও স্থানীয়দের কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মুখে ৬ ফিট গভীরতার কথা বলা হলেও, বাস্তবে খনন বা পাইলিংয়ের গভীরতা এর চেয়েও অনেক কম হতে পারে বলে প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুকুরের উপরিভাগের পানি ও থকথকে কাদার কারণে টাওয়ারের মূল ভিত্তির সঠিক গভীরতা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, যথাযথ তদারকি না থাকায় এবং মূল প্রকৌশলীরা উপস্থিত না থেকে তাড়াহুড়ো করে কাদার ভেতরেই আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ শেষ ।

প্রকৌশলীদের মতে, জলাশয়ের নরম মাটিতে ভারী মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের আগে মাটির ধারণক্ষমতা পরীক্ষা করে গভীর পাইলিং দেওয়া বাধ্যতামূলক। মাত্র ৬ ফিট বা তার চেয়েও কম গভীরতায় এই বিশাল কাঠামো তৈরি করলে তা যেকোনো সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। চারপাশ পুকুর, দোলা ও সীমান্ত ঘেঁষা এই এলাকার বাসিন্দারা অবিলম্বে এই ত্রুটিপূর্ণ কাজ বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা