August 14, 2026, 10:48 pm
শিরোনাম :
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুলা আল মামুন সম্মানিত নীলফামারী জেলা প্রশাসককে গ্রীন ভয়েসের দুর্লভ রক্তকাঞ্চন গাছ বিতরণ ​নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতার গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার, বিজিবি মোতায়েন নীলফামারীতে সাপের কামড়ে, শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু শিবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস উপকূলীয় মানুষের দুর্যোগঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামে নাগরিক গোলটেবিল কথা বলবেন ভোলার- মাকসুদ বাংলাদেশ চিশতিয়া জাকের মঞ্জিল দরবার শরিফ: দ্বীনি শিক্ষা ও রূহানি সাধনার এক অনন্য কেন্দ্র নাটোরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,দুই ওসির প্রত্যাহার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোপালগঞ্জে শপিংমল মার্কেট দোকান বন্ধের অভিযান

মেধাবী ছাত্র গৌতমের দুটি কিডনিই অকেজো

আবদুল হালিম ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি

মেধাবী ছাত্র গৌতমের দুটি কিডনিই অকেজো: ছেলেকে বাঁচাতে শাক বিক্রেতা বাবার আকুতি, প্রয়োজন ৩০ লক্ষ টাকা

​আব্দুল হালিম ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি

একটি স্বপ্ন কি অর্থের অভাবে অঙ্কুরেই ঝরে যাবে? নীলফামারী সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ইংরেজি বিভাগের মেধাবী ছাত্র শ্রী গৌতম চন্দ্র রায়ের জীবনপ্রদীপ আজ নেভার পথে। তার দুটি কিডনিই সম্পূর্ণ বিকল (ড্যামেজ) হয়ে গেছে। জীবনের এই কঠিন পরীক্ষায় গৌতমের পাশে দাঁড়িয়েছে তার বন্ধুরা, কিন্তু চিকিৎসার বিশাল ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে তারা এখন দিশেহারা।
​পরিচয় ও পারিবারিক অবস্থা:
গৌতম চন্দ্র রায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৩ নং সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কুমারপাড়া গ্রামের শ্রী দুলু রায়ের একমাত্র সন্তান।
দুলু রাম মা ললিতা রানী মা দিনমজুরি বাবা একজন অতি দরিদ্র শাক বিক্রেতা। প্রতিদিন বাজারে সামান্য শাক বিক্রি করে তিল তিল করে জমিয়ে ছেলেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে নীলফামারী সরকারি কলেজে পাঠিয়েছিলেন। গৌতম ছিলেন এই দরিদ্র পরিবারের একমাত্র আশা-ভরসা।

​অসুস্থতা ও চিকিৎসকদের পরামর্শ:
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গৌতমকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে পড়েছে। বর্তমান চিকিৎসায় তাকে দীর্ঘকাল টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ডাক্তাররা তাকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
উন্নত চিকিৎসা ও কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।
​বন্ধুদের আপ্রাণ চেষ্টা:
গৌতমের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে কান্নার রোল পড়ে। তার বন্ধু শ্রী প্রসেনজিৎ রায়, মো:ফেরদৌস ইসলাম, মো: ইমন ইসলাম, আজহারুল ইসলাম,মোছা:শ্যামলী আক্তার ও শিমু আক্তার সহ একদল বন্ধু বান্ধবী তাদের পড়াশোনা ভুলে পথে নেমেছে। তারা দিন-রাত এক করে বিভিন্ন হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও দ্বারে দ্বারে সাহায্য চেয়ে ফিরছে।
কিন্তু সংগৃহীত সামান্য অর্থ দিয়ে এই বিশাল অঙ্কের চিকিৎসা সম্ভব নয়।

মা-​বাবার করুণ আর্তনাদ:
ছেলের কথা বলতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে উঠলেন বাবা দুলু রায়। তিনি বলেন, “আমার তো সহায় সম্বল কিছু নাই। সামান্য শাক বেঁচে ছেলেকে পড়াশোনা করাইছি। এখন আমার কলিজাটারে বাঁচাতে ৩০ লাখ টাকা লাগবে। আমি টাকা কই পাবো? আপনাদের কাছে হাত জোড় করি, আমার একমাত্র সন্তানটারে আপনারা বাঁচান।”

​সাহায্য পাঠানোর আবেদন:
সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক মানুষগুলোর সামান্য সহযোগিতাই পারে গৌতমকে তার ক্লাসরুমে ফিরিয়ে নিতে। একটি মেধাকে বাঁচাতে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

আমি সাংবাদিক হিসেবে
“পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক মানুষের দুঃখ দেখেছি, কিন্তু মেধাবী ছাত্র গৌতমের এই অসহায়ত্ব আমাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। যে বয়সে ওর স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সে ও মৃত্যুর প্রহর গুনছে। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ভাই-বোন এবং মানবিক সংগঠনগুলোর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি— গৌতমকে বাঁচানোর এই যুদ্ধে আপনারাও শরিক হোন। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে একটি পরিবারের একমাত্র প্রদীপকে নিভে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে।”
​সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ:
বিকাশ/নগদ ০১৮৮১০৫১২৭৯ নম্বর
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: তার ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্ট নেই প্রবাসী সহ কোন সাহায্যকারী মহোদয় চাইলে পরবর্তীতে দেওয়া হবে,
যোগাযোগ: ০১৮০৬৯৪৪৪৯২
শ্রী প্রসেনজিৎ কুমার রায়,


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা