August 14, 2026, 10:47 pm
শিরোনাম :
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুলা আল মামুন সম্মানিত নীলফামারী জেলা প্রশাসককে গ্রীন ভয়েসের দুর্লভ রক্তকাঞ্চন গাছ বিতরণ ​নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতার গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার, বিজিবি মোতায়েন নীলফামারীতে সাপের কামড়ে, শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু শিবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস উপকূলীয় মানুষের দুর্যোগঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামে নাগরিক গোলটেবিল কথা বলবেন ভোলার- মাকসুদ বাংলাদেশ চিশতিয়া জাকের মঞ্জিল দরবার শরিফ: দ্বীনি শিক্ষা ও রূহানি সাধনার এক অনন্য কেন্দ্র নাটোরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,দুই ওসির প্রত্যাহার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোপালগঞ্জে শপিংমল মার্কেট দোকান বন্ধের অভিযান

​​টিউমারে ঢেকে গেছে চোখ: তিন লাখ টাকার অভাবে দৃষ্টি হারানোর শঙ্কায় ভ্যানচালক বাচ্চু মিয়া

আব্দুল হালিম ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি

​​টিউমারে ঢেকে গেছে চোখ: তিন লাখ টাকার অভাবে দৃষ্টি হারানোর শঙ্কায় ভ্যানচালক বাচ্চু মিয়া

আব্দুল হালিম ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৭ নং খালিশা চাপানী ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের এক অসহায় বাবার আর্তনাদ ভারি করে তুলছে এলাকার আকাশ-বাতাস। তিনি মোঃ সাত্তার আলী ও মোছা:মহরন বিবির (মৃত্যু)ছেলে বাচ্চু মিয়া, পেশায় একজন ভ্যানচালক। একটি ছোট দুর্ঘটনা আজ তার জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। চোখের কোণে জন্ম নেওয়া একটি টিউমার এখন পুরো চোখটিকে ঢেকে ফেলেছে, আর সেই সাথে ঢেকে যাচ্ছে একটি পরিবারের স্বপ্ন।
​যেভাবে শুরু হলো এই দুঃস্বপ্ন
​বাচ্চু মিয়া জানান, অভাবের সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে নিজের অটো-ভ্যানটি রেখে কুমিল্লায় ধান কাটার কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেখানে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত একটি ধানের শীষ তার চোখে ঢুকে পড়ে। সেই ক্ষত থেকে সৃষ্টি হয় তীব্র যন্ত্রণা। স্থানীয় চিকিৎসায় কোনো সুফল না মেলায় ধীরে ধীরে সেখানে একটি ফোঁড়া ও পরে মাংসপিণ্ড বা টিউমারের আকৃতি ধারণ করে।
​চিকিৎসার জন্য সম্বলহীন পরিবার
​অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর নিজের শেষ সম্বল ভ্যান গাড়িটি বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ মেটানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু সেই সামান্য টাকায় উন্নত চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ থাকায় টিউমারটি এখন ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তার একটি চোখ টিউমারের মাংস দিয়ে সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। দিনরাত চোখে চিনচিন ও খজখজ ব্যথায় ছটফট করেন তিনি।

​চিকিৎসকদের আশ্বাস ও অর্থের বাধা
​চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাচ্চু মিয়ার চোখের ভেতরের দৃষ্টিশক্তি এখনো সচল আছে। দ্রুত উন্নত চিকিৎসা ও অপারেশন করালে তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন। কিন্তু এই অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।
​”মানুষের কাছে হাত পাতলে ১০-২০ টাকা পাই, তা দিয়ে তো আর অপারেশন হয় না। ঘরে খাবার নেই, তার ওপর এত টাকা কোথায় পাবো?” — কান্নায় ভেঙে পড়ে কথাগুলো বলছিলেন বাচ্চু মিয়া।

​সাহায্যের আশায় দ্বারে দ্বারে
​বর্তমানে বাচ্চু মিয়া একা চলতে পারেন না। তার ভাই মুক্তার আলীর কাঁধে ভর করে হাতে হাত দিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে মানুষের কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতছেন। দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক এই অসহায় মানুষটি বাঁচতে চান, আবার ফিরে পেতে চান তার দৃষ্টি।
​বিত্তবানদের ও (ডাক্তার ইউনুস) সরকারের প্রতি আমার আকুল আবেদন
​একজন পরিশ্রমী মানুষ আজ পরিস্থিতির শিকার হয়ে রাস্তার ফকির হতে বাধ্য হয়েছেন। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে বাচ্চু মিয়া আবার সুস্থ পৃথিবীতে তাকাতে পারবেন। আপনার সামান্য সহযোগিতায় রক্ষা পেতে পারে একটি প্রাণ এবং একটি অসহায় পরিবার।
​সাহায্য পাঠাতে তার ফোন যোগাযোগ, :০১৭৮৮১২২৭৫২ বিকাশ/ নগদ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা