October 4, 2026, 7:51 am
শিরোনাম :
চর কুকরি মুকরি লঞ্চ-খেয়া মালিকদের হয়রানির জাঁতাকলে সাধারণ যাত্রীরা সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ূবী আল ক্বাদেরীর হাতে পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয় ভোলার নয় কূপে দৈনিক ১৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সুযোগ তারাগঞ্জে ডালিয়া সেচ প্রকল্পের মেঠোপথে ৪০০ তালবীজ রোপণ: ছায়াশূন্য মাঠে স্বস্তির উদ্যোগ হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রেস-ক্লাব ট্রাস্টের ঢাকা দক্ষিণাঞ্চলের (সাবেক ফরিদপুর) পাঁচ জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত ভোলা পূর্ব ইলিশা জংশন বাজার মাঠে জমজমাট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২ অক্টোবর ২০২৬ বাদ জুম্মা শহীদ হাদী চত্বর শাহবাগ ঢাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি মোঃ সিমান্ত তালুকদার জিন্দারপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদুল হকের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ হাতিয়ায় ‘পপি ফ্রিজ শো-রুম’-এর শুভ উদ্বোধন

অভিভাবকহীন জাহানপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ভস্মীভূত একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

একেএম নুর আলম জিকু ভোলা জেলা প্রতিনিধি

অভিভাবকহীন জাহানপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ভস্মীভূত একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

একেএম নুর আলম জিকু
ভোলা জেলা প্রতিনিধি

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী জাহানপুর বাজার, যা স্থানীয়ভাবে জলিল ব্যাপারী বাজার নামে পরিচিত, সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত রাত আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে হঠাৎ আগুন লাগলে বাজারের একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মুহূর্তের মধ্যেই পুড়ে ভস্ম হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাজারে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় এবং পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার অভাবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা কোনো দাহ্য বস্তু থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার পর স্থানীয়রা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে দোকানগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের দোকানে থাকা কাপড়, মুদিপণ্য, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ নগদ অর্থ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা বলেন, “বর্তমানে আমাদের কোনো অভিভাবক নেই। নেই জনপ্রতিনিধি, নেই কার্যকর গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব। এমন দুর্যোগে কেউ এসে আমাদের খোঁজ নেয়নি। যদি চেয়ারম্যান-মেম্বার কিংবা দায়িত্বশীল কেউ থাকতেন, তাহলে অন্তত সান্ত্বনা ও সহযোগিতার আশ্বাস পেতাম।”

ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, এই বাজারই তাদের একমাত্র জীবিকার উৎস। আগুনে সব হারিয়ে তারা এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। “আমাদের দোকানগুলো পুড়ে গেছে, সংসার চালানোর আর কোনো উপায় নেই। প্রশাসন যদি একটু সহযোগিতা করে, তাহলে আমরা আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে পারব”—এমন আকুতি জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা