বান্দরবানের লামায় পৃথক বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু
মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, স্টাফ রিপোর্টার
বান্দরবানের লামা উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক মাদ্রাসাছাত্র ও এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এসব ঘটনা ঘটে। একই দিনে দুইজনের প্রাণহানিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতরা হলেন—ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হ্লাথুই পাড়া (বর্তমানে হেডম্যান পাড়া) এলাকার খিয়াং চি মারমার ছেলে মং প্রু মারমা (৪০) এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ছনখোলা পূর্বপাড়া এলাকার মোহাম্মদ ছাদেকের ছেলে মোহাম্মদ সজিব (১১)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে মং প্রু মারমা হেডম্যান পাড়ায় যাওয়ার পথে বজ্রপাতের শিকার হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি নাইক্ষ্যংমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি পদে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে, একই সময়ে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ছনখোলা এলাকায় বাড়ির বাইরে খেলাধুলা করার সময় বজ্রপাতে আহত হয় শিশু সজিব। পরে তাকে চকরিয়া উপজেলা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সজিব বড়ছনখোলা তালিবুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। তার মায়ের নাম বেবী আক্তার।
একই ইউনিয়নে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় একজন স্কুলকর্মী ও এক শিশুশিক্ষার্থীর মৃত্যুতে তাঁদের পরিবার-পরিজন, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এ দুই প্রাণহানির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জামিল আহমেদ।