তজুমদ্দিনে সোনাপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় শাহিন শাজী
বরিশাল বিভাগীয় প্রধান : ইমন রহমান
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার ২ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনায় উঠে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোহাম্মদ শাহিন শাজী। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাঁকে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও সংকটের সময়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং তাঁদের মনোবল ধরে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন শাহিন শাজী। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমেও যুক্ত রয়েছেন। স্থানীয়দের বিপদে-আপদে পাশে থাকার চেষ্টা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে এলাকায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে জানান সমর্থকেরা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, শাহিন শাজী দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ২ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ছাত্রদল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, শাহিন শাজী একজন সহজ-সরল ও জনসম্পৃক্ত মানুষ। তিনি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যায় পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তাঁদের মতে, তিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
খামার রামদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. বিলকিস বেগম বলেন, তিনি শাহিন শাজীকে দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। তাঁর মতে, এলাকায় শাহিন শাজীর পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষ সহজে নাগরিক সেবা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা মোহাম্মদ শাহিন শাজী বলেন, “মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করতে চাই।”
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সোনাপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো দলীয়ভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। ফলে নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, প্রার্থী নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।