August 16, 2026, 11:06 pm
শিরোনাম :
পাবনায় মহা সমারোহে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ও জশনে জুলুশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের রাজশাহী বিভাগীয় কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন পীরে ত্বরিকত হযরত নুর মুহাম্মাদ আজাদ খান চিশতী আল-মুজাদ্দেদী বাংলার যমিনে সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদুন্নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষে জশনে জুলুস মিছিল গোপালগঞ্জে জাতীয় মৎস্য শুভ উদ্বোধন আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ মুকসুদপুর জলিলপাড়ের ‘বৌদির সিঙ্গারা’: হালাল-হারাম নিয়ে স্থানীয় মহলে আলোচনা ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেনের ভাড়া ১৪৫ টাকা নির্ধারিত করায় সাধারণ মানুষের স্বস্তি ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেনের ভাড়া ১৪৫ টাকা নির্ধারিত করায় সাধারণ মানুষের স্বস্তি জলঢাকায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। ১৫ আগস্ট ইসলামী শিক্ষা দিবস পালন করলো ছাত্র শিবির নিলফামারী ১৫ আগস্ট নেই কোনো আয়োজন, নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধু সমাধি

প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে পুলিশ সদস্য আটক

শহিদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার নিলফামারী

প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে পুলিশ সদস্য আটক

জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী

১৮ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে মালয়েশিয়া-প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে আটক হয়েছেন আতিকুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্য। তিনি জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত। শুক্রবার রাত ১১টায় মুচলেকা দিয়ে তাকে উদ্ধার করে ডোমার থানার পুলিশ।

এর আগে, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ডোমার সদর ইউনিয়নের হুজুরপাড়া গ্রামে ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে এসে বিয়ের প্রস্তাব দেন আতিকুর। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ হরিরামপুর এলাকার হোসেন আলীর ছেলে।

জানা গেছে, ডোমার থানায় কর্মরত ছিলেন আতিকুর। এ সময় ওই নারীর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে আতিকুর ওই নারীর শ্বশুর-শাশুড়িকে ধর্ম বাবা-মা ডাকেন। সেই সুবাধে প্রায় সময় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়িতে আসায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ শুরু হয়। নিজেদের সাংসারিক সমস্যা নিয়েও আলাপ হতো তাদের। চার মাস আগে পারিবারিক সমস্যা নিয়ে কাউকে না জানিয়ে নীলফামারী কোর্টে পরামর্শের জন্য আতিকের সঙ্গে যান ওই নারী। বিষয়টি জানাজানি হয় তার শ্বশুরবাড়িতে। এরপর থেকে তিনি তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করেন।
ওই নারীর স্বজনেরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর সমঝোতার মাধ্যমে তার শ্বশুড়বাড়িতে রেখে আসার জন্য প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় বাড়িতে হাজির হয়ে তাকে শ্বশুরবাড়িতে না পাঠিয়ে নিজের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেন আতিকুর। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আতিকুরকে ওই নারীর পরিবারের লোকজন ঘরে আটকে রাখে।

ওই নারী জানান, ‘আমার শ্বশুরবাড়িতে আতিকুরের যাতায়াত ছিল। সেই সুবাধে আমাদের যোগাযোগ শুরু হয়। আমি আমার সাংসারিক নানা বিষয় আতিকুরকে জানাতাম। সাংসারিক সমস্যা হওয়ায় আইনি পরামর্শ নিতে আতিকুরের সঙ্গে নীলফামারী কোর্টে গেলে ফেরার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের সন্দেহ করে এবং আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে। এসব সহ্য করতে না পেরে আমি গত চার-পাঁচ মাস ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছি। যদি আমার সংসার না টিকে, এর দায় আতিকুরকেই নিতে হবে।’

ওই নারীর শ্বশুর জানান, ‘আতিকুর আমাদে সঙ্গে ধর্ম বাবা-মায়ের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাড়িতে যাতায়াত করত। কাউকে না জানিয়ে চার মাস আগে আতিকের সঙ্গে ছেলের বউ নীলফামারী গিয়েছিল। নীলফামারী থেকে ফেরার সময় সোনারায় বাজারে তাদের আটক করা হয়। কারণ জানতে চাইলে তারা এড়িয়ে যায়। বিষয়টি বিয়াইবাড়িতে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত তারা কোনো যোগাযোগ করেননি। এ ঘটনার পর আতিকুরের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করি না, বরং সে নিজে থেকেই আমাদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বাড়িতে প্রায় সময়ই আসে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আতিকুর রহমান বলেন, ‘পরিবারটির সঙ্গে ধর্ম বাবা-মায়ের সম্পর্ক থাকার কারণে আমি তাদের খোঁজ নিতে যেতাম। মেয়েটির স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না, তাই আমি মেয়ের বাড়িতে গিয়ে বলেছিলাম যেন তাকে ওই বাড়িতে না পাঠিয়ে আমার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় কথাকাটাকাটি হলে তারা আমাকে আটকে রাখে।’

ডোমার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক পুলিশ সদস্য আতিকুর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে এসেছিল। পরিবারের লোকজন তাকে রাত পর্যন্ত আটকে রেখে মুচলেকা নিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

নীলফামারী পুলিশ লাইন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (আরআই) বদিউজ্জামান জানান, আতিকুর গতকাল রোল কলের সময় অনুপস্থিত ছিলেন। আজকে সকালে তিনি যোগদান করেছেন। তার বিষয়টি আমরা শুনেছি। গতকাল রাতে ডোমার থানার পুলিশ তাকে আটক 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা