August 14, 2026, 6:41 pm
শিরোনাম :
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুলা আল মামুন সম্মানিত নীলফামারী জেলা প্রশাসককে গ্রীন ভয়েসের দুর্লভ রক্তকাঞ্চন গাছ বিতরণ ​নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতার গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার, বিজিবি মোতায়েন নীলফামারীতে সাপের কামড়ে, শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু শিবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস উপকূলীয় মানুষের দুর্যোগঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামে নাগরিক গোলটেবিল কথা বলবেন ভোলার- মাকসুদ বাংলাদেশ চিশতিয়া জাকের মঞ্জিল দরবার শরিফ: দ্বীনি শিক্ষা ও রূহানি সাধনার এক অনন্য কেন্দ্র নাটোরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,দুই ওসির প্রত্যাহার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোপালগঞ্জে শপিংমল মার্কেট দোকান বন্ধের অভিযান

রায়গঞ্জে সৌদি উপহারের খেজুর নিয়ে প্রশ্ন, প্রকৃত বিতরণ নিয়ে জানতে চায় স্থানীয়রা

মোঃ সিমান্ত তালুকদার রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ

রায়গঞ্জে সৌদি উপহারের খেজুর নিয়ে প্রশ্ন, প্রকৃত বিতরণ নিয়ে জানতে চায় স্থানীয়রা

মোঃ সিমান্ত তালুকদার
রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ।

সৌদি আরবের King Salman Humanitarian Aid and Relief Center কর্তৃক উপহার হিসেবে পাঠানো খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলার মতো সিরাজগঞ্জ জেলাতেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে মোট ১২ হাজার ৫০০ কার্টুন সৌদি খেজুর বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২২১ কার্টুন খেজুর।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এই ২২১ কার্টুনের মধ্যে ২০ কার্টুন স্থানীয়ভাবে বিতরণের জন্য সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। বাকি ২০১ কার্টুন জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে উপ-বরাদ্দ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রায়গঞ্জ উপজেলা পেয়েছে ২২ কার্টুন খেজুর।

তবে রায়গঞ্জে এই খেজুরের প্রকৃত বিতরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই জানতে চাইছেন—উপজেলায় বরাদ্দ পাওয়া খেজুরগুলো আসলে কারা পেয়েছে এবং কীভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, যদি ২২ কার্টুন খেজুরে প্রতি কার্টুনে প্রায় ৮ কেজি ধরে মোট ১৭৬ কেজি খেজুর হয় এবং বাজারে প্রতি কেজি খেজুর আনুমানিক ৮০০ টাকা ধরে মূল্য নির্ধারণ করা হয়, তাহলে এর মোট মূল্য প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ৮০০ টাকার সমান হতে পারে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রনেতা ভিপি আয়নুল হক তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই খেজুরের একটি অংশ মাদ্রাসায় দান করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখ করেছেন।

তবুও অনেকেই মনে করছেন, এই খেজুর প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কীভাবে বিতরণ করা হয়েছে—তা স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি বা দাতা সংস্থার উপহার যেন সঠিকভাবে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি বিতরণের তালিকা ও তথ্য প্রকাশ করে, তাহলে এ নিয়ে যে আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তা সহজেই দূর হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা