মাইন মিসাইল ও দীর্ঘ উপকূলরেখা , কেন হরমুজ প্রণালীতে এত শক্তিশালী অবস্থানে ইরান ?
আন্তর্জাতিক ।
২৭ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ।
রেজাউল করিম রিয়াদ ।
লামা উপজেলা প্রতিনিধি বান্দরবান পার্বত্য জেলা ।
কারণ এগুলো অগভীর পানিতে সহজে চলতে পারে এবং নজর এড়িয়ে যেতে পারে।
এ কারণে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও বাহরাইনসহ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার পরিকল্পনা তৈরি করছে।
বর্তমান পরিস্থিতি কী?
ইরান জানিয়েছে, ‘শত্রুভাবাপন্ন নয়’ এমন জাহাজ ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এই পথ ব্যবহার
সব ট্যাংকার চলাচল শুরু হলেও জট কমাতে কিছু সময় লাগবে। ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার জাহাজ বর্তমানে পারস্য উপসাগরের ভেতরে আটকা পড়ে আছে।
মার্কিন সৈন্য মোতায়েন ও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক অগ্রগতির দাবি করলেও একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার মার্কিন মেরিন ও নৌসেনা পাঠাচ্ছেন। সিএনএন জানিয়েছে, ‘১১তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট’ এবং ‘বক্সার অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’ বর্তমানে পথে রয়েছে। এছাড়া ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ নামক রণতরীটিকেও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে।
এসব ইউনিট সাধারণত উপকূলীয় অভিযান বা শত্রু এলাকায় অভিযানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফলে ইরানে স্থল অভিযানের জল্পনা বাড়লেও ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত তা নাকচ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখে, তবে তাদের তেল বাণিজ্যের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও বাহরাইনসহ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার পরিকল্পনা তৈরি করছে।
বর্তমান পরিস্থিতি কী?
ইরান এ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরের আশেপাশে অন্তত ১৯টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। তবে ইরান, চীন, ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত কিছু জাহাজ এই প্রণালি পার হতে সক্ষম হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, ‘শত্রুভাবাপন্ন নয়’ এমন জাহাজ ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এই পথ ব্যবহার করতে পারবে। ‘লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ১৬টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ২০ লাখ ডলার ফি দিয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া বেশ কিছু ‘জম্বি’ ট্যাঙ্কার (পুরাতন ও পরিত্যক্ত জাহাজের ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে) এই রুট পার হয়েছে।
সব ট্যাংকার চলাচল শুরু হলেও জট কমাতে কিছু সময় লাগবে। ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার জাহাজ বর্তমানে পারস্য উপসাগরের ভেতরে আটকা পড়ে আছে।
মার্কিন সৈন্য মোতায়েন ও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক অগ্রগতির দাবি করলেও একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার মার্কিন মেরিন ও নৌসেনা পাঠাচ্ছেন। সিএনএন জানিয়েছে, ‘১১তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট’ এবং ‘বক্সার অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’ বর্তমানে পথে রয়েছে। এছাড়া ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ নামক রণতরীটিকেও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে।
এসব ইউনিট সাধারণত উপকূলীয় অভিযান বা শত্রু এলাকায় অভিযানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফলে ইরানে স্থল অভিযানের জল্পনা বাড়লেও ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত তা নাকচ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখে, তবে তাদের তেল বাণিজ্যের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। গত শুক্রবার মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘খারগ দ্বীপে’ হামলা চালিয়েছে, যেখান দিয়ে ইরানের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে, এরপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন তেল স্থাপনাগুলো তাদের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
আজকে সকালে ইরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালী পার হতে চেয়েছিল একটা তেলের জাহাজ , ইরান সরাসরি মিসাইল হামলা করে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে জাহাজ।
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি থোড়াই কেয়ার করছে ইরান ।