July 29, 2026, 5:59 pm
শিরোনাম :
সিংড়ার চলনবিলে বজ্রপাতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হাতিয়ায় হিন্দু পল্লী চিকিৎসকের দোকানে হামলার অভিযোগ, আটক ৩ ​জলঢাকায় ফুয়েল কার্ড প্রাপ্তি আরও সহজ: শর্ত শিথিল করল উপজেলা প্রশাসন বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোক সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ ৩ জন নিহত, আহত ১ এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে হলের চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ল শিক্ষার্থীর মাথায় লামার সরইয়ে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তীব্র গরমে ১৮ শিক্ষার্থীর হিট স্টক কুমিল্লায় এআরও বুলেট বৈরাগী হত্যার প্রতিবাদে ডুমুরিয়ায় মানববন্ধন লোহাগাড়ার বড়হাতিয়ায় ৫০তম জবলে সিরাত মাহফিল সম্পন্ন, ঐতিহ্যের পেছনে বলিখেলার ইতিহাস নেছারাবাদে জন্মগতভাবে বিকলঙ্গ সন্তান ত্যাগে পিতার চাপ, মায়ের দৃঢ় অবস্থান

স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে সুদের ব্যবসা জাগজমক

লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে স্বর্ণ বন্ধক রেখে সুদের ব্যবসা জাগজমক

লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধি:

আগামীতে সোনার দোকানের নাম সহ মালিকের নাম প্রকাশ করা হবে সঠিক তথ্য সংগ্রহের চলছে

চোখ ধাঁধানো ডেকোরেশন। সবাই জানে জুয়েলার্সের দোকান। অথচ দোকানের এই চাকচিক্যের পেছনে চলছে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় আর স্বর্ণ বন্ধক রেখে চড়া সুদে জমজমাট স্বর্ণ বন্ধক রাখার ব্যবসা। নীতিমালা নেই, বৈধতা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। এতে অনেকেই হচ্ছেন নিশ্চয় হয়রানি প্রতারিত হচ্ছে।

গোপালগঞ্জে স্বর্ণ পট্রি চৌরাঙ্গী রয়েছে জুয়েলার্সের দোকান। এর মধ্যে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে। মূলত স্বর্ণের দোকানের সাইনবোর্ড লাগিয়ে কয়েকটি দোকানের মালিক স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় আর স্বর্ন বন্ধক রেখে চড়া সুদে টাকার লেনদেন করে যাচ্ছেন।এ লেনদেন সাধারণত মহিলাদের সাথে করছে। কিছু মহিলাদের অভিযোগ যে বিপদে পড়ে পরিবারের সদস্যদের সকল স্বর্নের আংলকার দিয়ে পরবর্তীতে ফেরত আনতে গেলে,নাম বলতে অনিচ্ছুক গোপালগঞ্জের নামীদামী বড় স্বর্নের ব্যবসায়ী ঐ সকল স্বর্ন ফেরত দেয়নি।ঐ পরিবারের আশার শখের সব নিঃস্ব করে দিল।

জানা গেছে, বিপদের মুহূর্তে কেউ কেউ এসব দোকানে স্বর্ণ বন্ধক রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে ফেরত দেওয়া হয় না তাদের বন্ধকী সোনা অর্ধেক মূল্যে স্বর্ণ কিনে তারা দিনে-রাতে বনে যান লাখ লাখ টাকার মালিক।

স্বর্ণ কেনাসহ সুদে টাকা খাটানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে অনেক বড় নামিদামি স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি খুব সমস্যায় পড়ে স্বর্ণ বন্ধক রেখে কিছু টাকা নেন। তিন মাসের মধ্যে ওই টাকা সুদসহ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশোধ করতে পারেন নি। এর ফলে নিজের বন্ধকী স্বর্ণ আর ফেরত পাননি তিনি।

আরও জানা গেছে, গোপালগঞ্জ কয়েকটি বড় নামধারী জুয়েলার্সের দোকান বন্ধক সুদের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এই সুদের ব্যবসায় শুধু জুয়েলার্স প্রতিষ্ঠানের মালিকই বিনিয়োগ করেন না, বাইরের অনেক ব্যক্তিও এ কাজে অর্থ বিনিয়োগ করে থাকেন।
স্বর্ণ কেনা আর সুদের ব্যবসার কোনো অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানের কর্ণধাররা বলেন, ‘নিয়ম তো নেই, তারপরও কিনেছি। অনেকেই তো কেনে।’

তবে ক্যাশমেমো কিংবা বৈধ কাগজপত্র এবং নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছাড়া এভাবে স্বর্ণ কেনা তো সম্পূর্ণ বেআইনি। যারা এমন কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোনার বন্ধকের নামে উচ্চ হারে সুদ নেওয়া (যেমন আসল টাকার দ্বিগুণ/তিনগুণ) সরাসরি সুদখোরী, যা[সুদ] সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী অবৈধ। বর্তমান, সোনা বন্ধক রেখে সুদে নেওয়ার ব্যবসাটি সুদের ব্যবসা হিসেবে গন্য হয় এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যদিও এটি ব্যাপক আকারে ধারণা করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা