September 30, 2026, 10:52 pm
শিরোনাম :
সোনাদিয়া ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডে আরিফ কে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা কমিটির সাথে আইনশৃঙ্খলা মতবিনিময় জলঢাকায় পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার ​ দৌলতখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লোকমান আটক রংপুর সদরে ৩৫০টি চারা রোপণ, অংশ নিলেন আনসার-ভিডিপি সদস্য ও স্কাউটেরা সাংবাদিক নেত্রী ফাতেমা আক্তারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত” তীব্র নিন্দা! রংপুর সদরে আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে ৩৫০টি বৃক্ষরোপণ গোপালগঞ্জ ভ্রাম্যমান আদালতে দোকান মালিককে জরিমানা হাতিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বাড়াতে স্থাপন করা হয়েছে সিটিজেন সার্টার গোপালগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহ শতভাগ অর্জিত

গোপালগঞ্জকে মশকমুক্ত করতে পৌরসভার ‘জিরো টলারেন্স’: ছুটি বাতিল করে টানা ৩ মাসের স্পেশাল ড্রাইভ!

লুৎফর সিকদার. গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জকে মশকমুক্ত করতে পৌরসভার ‘জিরো টলারেন্স’: ছুটি বাতিল করে টানা ৩ মাসের স্পেশাল ড্রাইভ!

লুৎফর সিকদার. গোপালগঞ্জ:

ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধ ও মশক নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে গোপালগঞ্জ পৌরসভা। পুরো পৌর এলাকাকে শতভাগ মশকমুক্ত করার লক্ষ্যে গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান, যা আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত টানা তিন মাস ধরে বিরতিহীনভাবে চলবে। অভিযানকে শতভাগ সফল করতে এবং পৌরবাসীকে মশকমুক্ত শহর উপহার দিতে এই ৩ মাস পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল প্রকার সাপ্তাহিক বা অর্জিত ছুটি সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে নিয়মিত আধুনিক ফগার ও স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল ধ্বংস করতে ড্রেন পরিষ্কার, নালা-নর্দমার বর্জ্য অপসারণ, ঝোপঝাড় পরিষ্কার, অনাকাঙ্ক্ষিত আগাছা দমন এবং গাছপালার অতিরিক্ত ডালপালা কেটে রোদের আলো চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গোপালগঞ্জ পৌরসভার কঞ্জারভেন্সি ইন্সপেক্টর ইমরান আলী মোল্যা জানান, একটি পরিচ্ছন্ন ও মশকহীন পৌরসভা গড়তে তারা শতভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ। পৌরসভার অভিজ্ঞ কর্মী বাহিনী দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং কোনো প্রকার ছুটি বা বিরতি ছাড়াই টানা এই অভিযান সফল করতে সবাই প্রস্তুত। পৌরসভাকে পুরোপুরি মশকমুক্ত রাখতে তিনি গোপালগঞ্জের সর্বসাধারণ ও পৌর নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা ও সচেতনতা কামনা করেছেন।
সরেজমিনে মাঠপর্যায়ে দেখা যায়, পৌরসভার কর্মীরা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সুবিশাল এই পৌর এলাকায় লোকবল আরো কিছুটা বৃদ্ধি করা গেলে এই কর্মসূচির গতি কয়েকগুণ বেড়ে যেত বলে প্রতীয়মান হলেও, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পৌরসভাকে শতভাগ মশকমুক্ত ও ডেঙ্গুমুক্ত করার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা