September 9, 2026, 6:23 pm
শিরোনাম :
বিদ্যালয়ের ১৪ টি ফ্যান চুরি ডিমলায় দুর্যোগকবলিত মানুষের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ চুরি আতঙ্কে অস্থির রায়গঞ্জের জনগণ হিন্দু যুবকের প্রেমের টানে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুণী নাটোরের সিংড়ায় মহাসমারোহে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের মাহফিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গোপালগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেন সার্ভিসের সময় পরিবর্তনের দাবি নীলফামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ গোপালগঞ্জে জাতীয় মৎস্য শুভ উদ্বোধন আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ চিরিরবন্দরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে পোনা মাছ অবমুক্ত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা পাবনায় মহা সমারোহে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ও জশনে জুলুশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

বিদ্যালয়ের ১৪ টি ফ্যান চুরি

মোঃ জামিয়ার রহমান নীলফামারী

জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ ফ্যান চুরি, শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

মোঃ জামিয়ার রহমান নীলফামারী:

 

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পূর্ব শিমুলবাড়ী উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪টি সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। কোনো প্রকার তালা ভাঙা কিংবা ভাঙচুরের চিহ্ন ছাড়াই ঘটে যাওয়া এই রহস্যজনক চুরির ঘটনা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়িত্বহীন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
​বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পাঠদান শেষে শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যান। পরবর্তীতে রবিবার এসে শ্রেণি কক্ষের ১৪টি সিলিং ফ্যান গায়েব দেখতে পান। তালা না ভেঙে কীভাবে ফ্যান চুরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এ বিষয়ে এখনো থানা পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।
​ফ্যান চুরির বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিমাংশু কুমার রায় বলেন, “আমরা নিজেদের উদ্যোগে ফ্যানগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছি। উদ্ধার করতে না পারলে পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।”
​এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে সরজমিনে বিদ্যালয়ে গেলে সেখানকার সহকারী শিক্ষিকা পল্লবী রানী সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বলেন, “আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় আমরা দেখছি, এখানে সংবাদকর্মীদের কী কাজ?” শিক্ষিকার এমন বক্তব্যে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
​স্কুলের নথিপত্র অনুযায়ী মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১৫ জন দেখানো হলেও সরজমিনে উপস্থিতি দেখা গেছে মাত্র ২৯ জন। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার চরম মানহীনতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অলসতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় কোনো সচেতন অভিভাবক এখানে সন্তানকে ভর্তি করান না। দিনের পর দিন শিক্ষকদের খামখেয়ালিপনায় প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
​চুরি ও অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও লাইন ব্যস্ত থাকায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
​শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা