নীলফামারীতে ২ হাজার বৃক্ষরোপণ করল ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন
নীলফামারী প্রতিনিধি (শহিদুল ইসলাম):
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ জেলা গড়ার লক্ষ্যে নীলফামারীতে একটি প্রশংসনীয় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ৩টায় ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে হাজীগঞ্জ বাজার থেকে মাস্টারপাড়া পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশে ২ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
কর্মসূচিতে অতিথিবৃন্দ
উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা রোপণে অংশ নেন:
নিশি কান্ত মালাকার — জেলা ফরেস্ট অফিসার, নীলফামারী।
মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন — সহকারী পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর।
প্রকৌশলী এস. এম সফিকুল আলম ডাবলু — সাবেক সভাপতি, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।
মো: আব্দুল মোমিন — পরিচালক, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।
মো: কামরুল হাসান — ওএস (রংপুর বিভাগ), ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি।
ইমরান খান — সভাপতি, ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, নীলফামারী জেলা শাখা।
আব্দুস সালাম — সাধারণ সম্পাদক, ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, নীলফামারী জেলা শাখা।
এছাড়াও কর্মসূচিতে ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা টিমের অন্যান্য সকল সদস্য ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ রক্ষায় গাছের গুরুত্ব ও তরুণদের ভূমিকা
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। বৃক্ষ কেবল অক্সিজেন সরবরাহ করে না, বরং মাটির ক্ষয় রোধ করে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে। সড়কদ্বীপে ও রাস্তার দুই পাশে গাছের এই সামাজিক বনায়ন একদিকে যেমন পরিবেশকে শীতল রাখবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।
যুবসমাজকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অতিথিরা ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং চারাগুলো নিয়মিত পরিচর্যা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।