August 14, 2026, 9:07 pm
শিরোনাম :
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুলা আল মামুন সম্মানিত নীলফামারী জেলা প্রশাসককে গ্রীন ভয়েসের দুর্লভ রক্তকাঞ্চন গাছ বিতরণ ​নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতার গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার, বিজিবি মোতায়েন নীলফামারীতে সাপের কামড়ে, শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু শিবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস উপকূলীয় মানুষের দুর্যোগঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামে নাগরিক গোলটেবিল কথা বলবেন ভোলার- মাকসুদ বাংলাদেশ চিশতিয়া জাকের মঞ্জিল দরবার শরিফ: দ্বীনি শিক্ষা ও রূহানি সাধনার এক অনন্য কেন্দ্র নাটোরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,দুই ওসির প্রত্যাহার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোপালগঞ্জে শপিংমল মার্কেট দোকান বন্ধের অভিযান

মেঘনা নদীতে পাওয়া ৪০ কেজি ওজনের কচ্ছপটি নদীতে ছেড়ে দিলেন জেলেরা

ফাতেমা আকতার হাতিয়া ( নোয়াখালী) প্রতিনিধি

মেঘনা নদীতে পাওয়া ৪০ কেজি ওজনের কচ্ছপটি নদীতে ছেড়ে দিলেন জেলেরা

ফাতেমা আকতার
হাতিয়া ( নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়া প্রায় এক মণ ওজনের একটি বিরল প্রজাতির গঙ্গা কাছিম ( কচ্ছপ) পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড়ে স্থানীয় জেলেরা কাছিমটি ছেড়ে দেন।

জানা গেছে, রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের আজমার খাল এলাকায় মাছ ধরার সময় জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝির জালে কাছিমটি ধরা পড়ে। জাল টানার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ অতিরিক্ত ভার অনুভব হলে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে জাল তুলে বিশাল আকৃতির কাছিমটি( কচ্ছপ) দেখতে পান তিনি।

খবর ছড়িয়ে পড়লে চরকিং ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড়ে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। স্থানীয় লোকজন কাছিমটি এক নজর দেখার জন্য নদীর পাড়ে জড়ো হন। পরে জোয়ারের সময় কাছিমটিকে নদীতে অবমুক্ত করা হলে সেটি স্রোতের সঙ্গে মেঘনার গভীর অংশে চলে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ফরিদ বলেন, এর আগে কখনো এত বড় কচ্ছপ দেখিনি। মেঘনায় মাঝেমধ্যে কচ্ছপ দেখা গেলেও এত বড় আকারের কচ্ছপ খুবই বিরল। নিজের চোখে দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি।

জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি বলেন, মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেছিলাম। জাল তুলতে গিয়ে দেখি খুব ভারী কিছু আটকে আছে। তুলে দেখি বিশাল আকৃতির একটি কচ্ছপ। জীবনে এত বড় কচ্ছপ আগে কখনও দেখিনি। তাই সবাই মিলে আজ মেঘনায় ছেড়ে দিয়েছি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, এই প্রজাতির কাছিম সাধারণত ৭০ থেকে ৮০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এটি একটি বিরল ও প্রায় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এসব প্রাণীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলেদের জালে এ ধরনের প্রাণী ধরা পড়লে তা অবমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছি। বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আইনের ব্যত্যয়ের কোনো সুযোগ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা