August 14, 2026, 6:02 pm
শিরোনাম :
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুলা আল মামুন সম্মানিত নীলফামারী জেলা প্রশাসককে গ্রীন ভয়েসের দুর্লভ রক্তকাঞ্চন গাছ বিতরণ ​নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতার গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার, বিজিবি মোতায়েন নীলফামারীতে সাপের কামড়ে, শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু শিবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস উপকূলীয় মানুষের দুর্যোগঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামে নাগরিক গোলটেবিল কথা বলবেন ভোলার- মাকসুদ বাংলাদেশ চিশতিয়া জাকের মঞ্জিল দরবার শরিফ: দ্বীনি শিক্ষা ও রূহানি সাধনার এক অনন্য কেন্দ্র নাটোরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,দুই ওসির প্রত্যাহার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গোপালগঞ্জে শপিংমল মার্কেট দোকান বন্ধের অভিযান

নববর্ষ ঘিরে তাঁতশিল্পে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য

মো: সিমান্ত তালুকদার রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ

নববর্ষ ঘিরে তাঁতশিল্পে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য

মো: সিমান্ত তালুকদার
রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ।

বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে গামছা, শাড়ি ও লুঙ্গি তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন তাঁতশ্রমিকরা। তবে এ কর্মচাঞ্চল্যের মধ্যেও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে দুশ্চিন্তা বাড়ছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

উপজেলার বিভিন্ন তাঁতপল্লি ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় কারখানাগুলোতে হ্যান্ডলুম ও পাওয়ারলুমে পুরোদমে চলছে কাপড় উৎপাদন। নববর্ষ উপলক্ষে পাইকার ও ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েছে। ফলে রঙিন শাড়ি, নকশাদার গামছা ও উন্নতমানের লুঙ্গি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁতিরা। তাঁত শ্রমিক আবু ফারুক হোসেন ও সাইফুল ইসলাম বলেন, নববর্ষ এলেই কাজ বাড়ে, কিন্তু সে অনুযায়ী আয় বাড়ে না। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়, তখন আয়ও বন্ধ থাকে। এতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। কাজের ব্যস্ততার আড়ালেও অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

তাঁত মালিক ফাতেমা ইসলাম বলেন, বাজারে চাহিদা থাকলেও লাভের নিশ্চয়তা নেই। সুতা, রঙ ও কেমিক্যালের দাম বেড়ে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে অনেক সময় মেশিন বন্ধ রাখতে হয়, এতে উৎপাদন কমে। জেনারেটর চালাতে গেলে ডিজেলের উচ্চমূল্যের পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে। এতে ছোট ও মাঝারি মালিকদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে।

তাঁত মালিক নূরনবী বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়ায় ব্যবসা ধরে রাখা কঠিন হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ ও কাঁচামালের সংকটের পাশাপাশি ডিজেল না পাওয়ায় জেনারেটর চালানোও ব্যাহত হচ্ছে। রুবেল হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যায় কাজের ধারাবাহিকতা থাকে না। জেনারেটরের ওপর নির্ভর করলেও ডিজেল সংকটে নিয়মিত চালানো সম্ভব হয় না। বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, রায়গঞ্জের তাঁতশিল্প সম্ভাবনাময় হলেও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাঁতশিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা সবসময় দেওয়া সম্ভব না হলেও প্রণোদনা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা