October 3, 2026, 1:22 am
শিরোনাম :
২ অক্টোবর ২০২৬ বাদ জুম্মা শহীদ হাদী চত্বর শাহবাগ ঢাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি মোঃ সিমান্ত তালুকদার জিন্দারপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদুল হকের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ হাতিয়ায় ‘পপি ফ্রিজ শো-রুম’-এর শুভ উদ্বোধন গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ‘ফ্যাব্রিক লাইব্রেরি’র যাত্রা শুরু, দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ছাগল-ভেড়ার পিপিআর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন সোনাদিয়ার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে সম্ভাব্য প্রার্থী ফাহিমা গিয়াস হাতিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারির কবর জেয়ারত করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক নীলফামারী জেলায় আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন আমাসুফ নীলফামারী জেলা কমিটি গঠন ৪৯ তম বিসিএসের গেজেটে গোপালগঞ্জে প্রার্থীর ৯ জন বাদ

বরাদ্দ সংকটে গোপালগঞ্জে দিন-রাতজুড়ে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা

লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধি

বরাদ্দ সংকটে গোপালগঞ্জে দিন-রাতজুড়ে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা

লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে বিদ্যুতের বরাদ্দ ঘাটতির কারণে দিন-রাতজুড়ে লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে। ২২ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যুৎ বিভাগের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় রাতের সময়েও লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এতে করে সাধারণ গ্রাহক, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লোডশেডিং কোনো নির্দিষ্ট সময়ের ওপর নির্ভর করে না। সকাল, দুপুর কিংবা রাত—যেকোনো সময়েই বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে গেলে এবং বরাদ্দ কম থাকলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিজে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; বরং পাওয়ার গ্রিড থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করে থাকে।

দপ্তরের তথ্যমতে, গোপালগঞ্জ এলাকায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট। কিন্তু বর্তমানে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮ থেকে ৯ মেগাওয়াট, যা মোট চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে প্রতি এক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, যদি বরাদ্দ ১০ থেকে ১৩ মেগাওয়াটের মধ্যে থাকে, তাহলে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং হতে পারে।

এদিকে, অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে গৃহস্থালি কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে অস্বস্তি আরও বেড়েছে।

বিদ্যুৎ সেবা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ বা তথ্য প্রদানের জন্য গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ, ওজোপাডিকো সেবা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এজন্য মোবাইল নম্বর ০১৬১২৯৯৫৬১৩ এবং টেলিফোন নম্বর ০২৪৭৮৮২১৬২৪ ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রি-পেইড মিটার সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগের জন্য ০১৭২৭৬৮৬৭৪২ নম্বর দেওয়া হয়েছে। কল সেন্টার নম্বর ১৬১১৭ অথবা ০৯৬১০০১৬১১৭-এও অভিযোগ জানানো যাবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সকল শ্রেণির গ্রাহকের কাছে ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা