August 21, 2026, 5:55 am
শিরোনাম :
খাজনার টাকা নিয়ে মিথ্যা প্রচার’—গোবিন্দগঞ্জ ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট সহকারীর প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি সুন্দরগঞ্জে শাহাদাৎ হত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন ভুল কীটনাশক প্রয়োগে ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট, অভিযোগ কৃষকের রহনপুরে শান্তিপাড়ায় মাদক, ছিনতাই ও অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে মতবিনিময় সভা বৃহত্তর কাশিনাথপুর জশনে জুলুস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেন মুফতি জহিরুল ইসলাম ফরিদী গোপালগঞ্জে কোটালিপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাস কারাদণ্ড লামার সরইয়ে আদালতের শর্ত ভঙ্গ করে বাদীর জমি জবর দখলের অভিযোগ আসামির বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জের রেখা রানী ওঝার জীবনে বিয়ে নয় মেয়েদের শিক্ষা জীবন উৎসর্গ অনন্য দৃষ্টান্ত গোপালগঞ্জের মারজুক রাসেলের অজানা গল্প ও সংগ্রামমুখর পথচলা বাংলাদেশে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলো মিয়ানমারের দুই বাহিনীর ১৪ সদস্য

বান্দরবানের লামায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত স্থাপনের দাবিটি এখন গণদাবিতে রুপ নিয়েছে

আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান

বান্দরবানের লামায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত স্থাপনের দাবিটি এখন গণদাবিতে রুপ নিয়েছে,,,,,

মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান প্রতিনিধি,,,

বান্দরবান, জেলার, লামা, উপজেলার, বৃহত্তর লামাবাসীর, দীর্ঘদিনের, দাবি, ‘লামায় ,সিভিল কোর্ট, (দেওয়ানি ,আদালত) তথা, সহকারি ,যুগ্ম জজ/সিনিয়র সহকারী জজ আদালত’ চালু করা।

জনবহুল, পার্বত্য লামা ,উপজেলার, ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-আয়োতন, জনসংখ্যা বিবেচনা ও বিচাররিক সেবা নিশ্চিতসহ বিচারপ্রার্থীদের চাপ কমাতে লামায় সিভিল কোর্টের অপরিহার্যতা রয়েছে মর্মে জনদাবি উঠেছে।

১৮ জানুয়ারি২৬ লমায় সিভিল কোর্ট স্থাপনের জন্য স্থানীয় সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মি ও বান্দরবান জেলা সমাজ সেবা পরিষদের সদস্য এম রুহুল আমিন ‘সচিব আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয় বরাবর একটি আবেদন করেছেন।

আবেদন পত্রে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই জোর সুপারিশ করেছেন। স্থানীয়রা মনে করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায়; লামায় সিভিল স্থাপন অনুমোদনে দ্রুত ও কার্যকরী ব্যবস্থা নিবেন।

সাবেক মুহকুমা বৃহত্তর লামায় বিগত শাতব্দির ৭০’র দশক থেকে বিচারিক আদালত ছিলো। বর্তমানে (২০০৮-৯ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হলে) লামা সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার সংখ্যা বহুগুন বৃদ্ধি পায়।

তথ্যানুসন্ধানে উঠে এসেছে; এই উপজেলা
৯০% মামলার সূত্রপাত হয় মূলত ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে।

এই বাস্তবতায় লামা-আলীকদ ও নাইক্ষ্যংছড়ি (পূর্বতম লামা মহকুমার অধিক্ষেত্র) উপজেলার জমিজমা সংক্রান্ত মামলায় সেবাপ্রার্থী প্রজারা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা অতিক্রম করে বান্দরবান জেলা সদরে পৌঁছতে হয়।

দক্ষিণের এই তিন উপজেলার সাথে বান্দরবান জেলা সদরের দূরত্ব লামা থেকে ৯৫ কিলোমিটার, আলীকদম থেকে ১২৫ ও নাইক্ষংছড়ি থেকে ১২৫ কিলোমিটার।

বিজ্ঞ জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলার হাজিরা দিয়ে সেদিন ফেরা সম্ভব হয় না এবং বেশির ভাগ প্রান্তিক মানুষ মামলায় হাজিরার আগের দিন পৌঁছতে হয়। ফলে জেলা সদরে হোটেলে খেয়ে বোর্ডিংয়ে থাকতে হয়।

এ কারণে বিচার প্রার্থী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক ও সময়, দুইটারই লোকসান হচ্ছে। মামলার জট কমানো বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষে লামা উপজেলায় সিভিল কোর্ট স্থাপনে জনগনের দাবিটি মৌলিক বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

এ বিষয়ে বৃহত্তর লামাবাসী বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ বান্দরবান পার্বত্য জেলা ও সচিব আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ কামণা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা