বাঁশখালী আওয়ামী দোসোর ৫ মামলার আসামী নাসিরও তার ভাই তাহেরর বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ
নুরুল আমিন লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)
বাঁশখালী পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডে এলাকার নাসির উদ্দিন ও তার ভাই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে, জানা যায় নাসির উদ্দিন ও আবু তাহের আপন দুই ভাই তারা, বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা যায়, বাঁশখালী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড নজিরা মার্কেট নামক এলাকার বাসিন্দা তারা। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিভিন্ন রকমের অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন তারা।
যেমন অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন সরকারি সংরক্ষিত মাটিকাটা থেকে শুরু করে ভূমিদস্য হিসেবে উপাধি পান তাঁরা, যদি ও,বা” তার নাম আবু তাহের”কিন্তু তাহের ডাকাত হিসেবে পরিচিত এলাকায়। এই মাফিয়া ডন এর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অভিযোগের পাহাড়। এতে এলাকা বাসী প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের ও করেন তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু
অভিযুক্ত নাছির উদ্দীন ঢাকার একটি সচিব কোয়াটারে ঝাড়ুধার হিসাবে কাজ করেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগিতায়, ঝাড়ুদারের চাকুরি পাওয়া অভিযুক্ত নাসির তাঁর ক্ষমতা -দাপট একটি সচিবের চাইতেও বেশি
দাবি করেন,অভিযোগ এলাকাবাসীর।

অভিযুক্ত নাছির উদ্দীন সচিবালয়ের ঝাড়ু দারের পেশাকে পুজি করে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মাদক ও চোরাকারবারী কাজের জন্য তাদের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। আবু তাহেরও তাঁর ভাই, নাছির উদ্দীন মাদক ব্যবসায় জড়িত যে,তা এলাকার মানুষের চির জানা ও প্রচারিত।
নাছির উদ্দীন, আবু ছালেক ও আবু তাহের ব্যক্তি জীবনে অশিক্ষিত হলেও রাজনৈতিক ও ক্ষমতাশীনদের সাথে শক্যতা করে অবৈধ ব্যবসা করে টাকা উপার্জন করতে খুবই দক্ষ।

বাঁশখালীর আওয়ামী লীগের দোসর ডাকাত আবু তাহের আওয়ামী লীগের আমলে স্থানীয় ও ঢাকার আওয়ামী লীগের নেতাদের সহযোগিতায় তাঁর ভাই নাছির উদ্দীন ও আবু ছালেক কে ঢাকার সচিবালয়ে সচিব কোয়াটারে ঝাড়ুধারের কাজের ব্যবস্থা করে দেন। এই সুবাদে তাঁর ভাইয়েরা ও হুমকি দিয়ে
বিভিন্ন চাঁদাবাজি, মাদক, জমি দখল, অস্ত্র ও হত্যাচেষ্টার ৫ মামলার আসামি তাঁরা। এবং নাছির উদ্দীন এর বিরুদ্ধে একাধিক মামলার প্রমাণ রয়েছে।
এতকিছুর পরেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন আবু তাহের, নাছির উদ্দীন ও আবু ছালেক ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবু তাহের পেশায় একজন সিএনজি ড্রাইভার। সেই সুবাদে তাঁর সিএনজি করে বড় বড় মাদকের চালান পৌঁছিয়ে দেয় ঢাকা, চট্টগ্রাম শহর সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানায়, আবু তাহের ও তার সঙ্গপাঙ্গোদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে এলাকায়
জুয়া ও মাদকের ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুত এর ব্যবস্থা না নিলে বিপথগামী হবে যুবসমাজ। রাতের আঁধারে সিএনজি করে সরবরাহ হচ্ছে ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। আর এসব মাদক নিয়ন্ত্রণ করেন সচিবালয়ে জাবেদার এর কাজ করা তাঁর ভাই নাছির উদ্দীন ও আবু ছালেক।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে,নাছির উদ্দিন ও আবু ছালেক
ঢাকার সচিবালয়ে ঝাড়ুদারের কাজ করার প্রভাবে তাদের ভাই আবু তাহের বিভিন্ন দলের নেতাদের ম্যানেজ করে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা “পুরোটা আবু তাহেরের নিয়ন্ত্রণে। ফলে স্রোতের বেগে গড়ে উঠেছে তাদের সম্পদ।
অনুসন্ধানে আরো উঠে এসেছে এলাকায় নাছির উদ্দীন ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে গঠিত কিশোর ও বাহিনীর অত্যাচারের
কারনে এলাকার সাধারণ জনগণ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা বিপদজনক হয়ে উঠেছে্ন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কেউ তাদের অকর্মের বিরোধিতা করার চেষ্টা করলে নাসির উদ্দিন বলেন বাংলাদেশে একাধিক সচিব ও বিভিন্ন দফতরে বড় বড় কর্মকর্তাদের তার সম্পর্ক রয়েছেেন।এ’বলে সাধারণ মানুষের উপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন বলেন স্থানীয়রা।এলাকাবাসীর
অভিযোগ এতগুলো মামলা চলোমান থাকার পরে ও কি,ভাবে বেপরোয়া ভাবে চলাফেরা
করেন তাঁরা। স্থানীয়দের প্রাণের দাবি এদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।